odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Sunday, 1st February 2026, ১st February ২০২৬

মিশিগানে গির্জা রঙার গুলিতে নিহতদের ঘটনার দাবি: হামলাকারীর মোর্মন-বিরোধী ঘৃণা ছিল — হোয়াইট হাউস

odhikarpatra | প্রকাশিত: ২৯ September ২০২৫ ২১:৫৪

odhikarpatra
প্রকাশিত: ২৯ September ২০২৫ ২১:৫৪

 “অধিকার পত্র ডটকম” ডেস্ক 

সংবাদ :

মিশিগান রাজ্যের গ্র্যান্ড ব্ল্যাঙ্কের একটি গির্জায় ঘটে যাওয়া গুলিবর্ষণ ও অগ্নিসংযোগে অন্তত চারজন নিহত ও অষ্ট জন আহত হয়েছেন। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা দাবি করছেন, নিহত হামলাকারীর মধ্যে মোর্মন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি ঘৃণা ছিল, যা তদন্তকারীদের দৃষ্টিতে একটি সম্ভাব্য প্ররোচ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ঘটনা ও প্রাথমিক তথ্য

বিষয়টি হাসপাতাল এবং স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে যে, রবিবার (মধ্যরাতের আগে) এক প্রাক্তন মার্কিন সৈনিক— যিনি আগে মেরিন হিসেবে কর্মরত ছিলেন — তার পিকআপ ট্রাক দিয়ে গির্জার ফ্রন্ট ডোরে ধাক্কা দেন, তারপর গুলিবর্ষণ শুরু করেন এবং ভবনটিকে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পাল্টা গোলাগুলিতে নিহত হন।

গির্জাটির অভ্যন্তরে তখন পূজা চলছিল; অনেক অনেকে সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমদিকে দুই জন গুলিতে নিহত হয়, পরে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আরও দুই জনের মৃতদেহ পাওয়া যায়।

পুলিশের ভাষ্য, আরও কিছু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে এবং ধ্বংসাবশেষে তারা এখনও খোঁজ চালাচ্ছেন।


হোয়াইট হাউসের বক্তব্য ও তদন্ত

প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট জানিয়েছেন, এফবিআই পরিচালককে তার সঙ্গে আলোচনায় বলা হয়েছে, “যা আমি জানি, এটি এমন একজন ব্যক্তি যিনি মোর্মন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করতেন।”

যদিও এই দাবি করা হচ্ছে, তদন্তকারীরা এখনো নির্ধারণ করতে পারেননি হঠাৎ এই হামলার পেছনে তার সঠিক প্রেরণা কী ছিল।

সন্দেহভাজনকে থমাস জ্যাকব স্যান্ডফোর্ড নামে চিহ্নিত করা হয়েছে; তিনি ৪০ বছর বয়সী ছিলেন এবং বার্টন শহরের বাসিন্দা ছিলেন।

তার সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে জানা গেছে, তিনি ২০০৪–২০০৮ সাল পর্যন্ত মেরিন কর্পসে (Marine Corps) সেবা করেছেন।

যদিও তার মোবাইল ফোন এবং বাসস্থান তল্লাশি করা হচ্ছে, এখনও পর্যন্ত কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে এই হামলা পরিকল্পিত ছিল নাকি মুহূর্তের সিদ্ধান্ত ছিল।


প্রেক্ষাপট ও উদ্বেগ

২০২৫ সালেই যুক্তরাষ্ট্রে এটি ৩২৪তম বড় গুলির ঘটনা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে, যেখানে চার বা তার বেশি মানুষ গুলিবিদ্ধ হয় বা নিহত হয় (শুটার বাদে) — তথ্য অনুযায়ী “Gun Violence Archive” রেকর্ড অনুযায়ী।

এই হামলা ঘটে মাত্র এক মাস পর, মিনেসোটা রাজ্যে এক ক্যাথলিক গির্জায় গুলির ঘটনায় দুই শিশু নিহত ও বহু মানুষ আহত হন।

বিষয়টি ধর্মীয় সংখ্যালঘু, নিরাপত্তা এবং গৃহীত আইনি বিধানগুলোর (gun control) বিষয়ে নতুন বিতর্ক উসকে দিতে পারে। 



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: