odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Sunday, 1st February 2026, ১st February ২০২৬
গাজায় আবারও রক্তের ছোঁয়া! নয় দিনের যুদ্ধবিরতি ভেঙে উত্তপ্ত পরিস্থিতি— ইসরাইল ও হামাস পরস্পরকে দোষারোপ করছে।”

গাজায় যুদ্ধবিরতি ভেঙে নতুন সংঘর্ষ! ইসরাইল-হামাসের পরস্পর দোষারোপে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১৯ October ২০২৫ ২৩:৪১

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১৯ October ২০২৫ ২৩:৪১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | অধিকারপত্র ডটকম

তারিখ: ১৯ অক্টোবর ২০২৫, রবিবার

গাজায় নয় দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার মধ্যেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ইসরাইল ও হামাস পরস্পরকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে দোষারোপ করছে।

রোববার ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানায়, গাজার দক্ষিণাঞ্চল রাফাহ এলাকায় হামাসের হামলার জবাবে তারা বিমান হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, হামাস বলছে— তারা এখনো যুদ্ধবিরতি মেনে চলছে, ইসরাইল ‘আবারও হামলার অজুহাত তৈরি করছে’।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নিরাপত্তা বাহিনীকে গাজায় ‘সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুতে কঠোর ব্যবস্থা নিতে’ নির্দেশ দিয়েছেন।

যুদ্ধবিরতির পটভূমি:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ১০ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এতে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটে। চুক্তিতে বন্দি বিনিময় ও গাজার ভবিষ্যত উন্নয়ন পরিকল্পনাও অন্তর্ভুক্ত ছিল, কিন্তু বাস্তবায়নের শুরু থেকেই নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে।

সংঘর্ষের বিবরণ:
ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানায়, রাফাহ এলাকায় সন্ত্রাসী অবকাঠামো ধ্বংসে অভিযান চালানোর সময় হামাস যোদ্ধারা অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। জবাবে ইসরাইলি বাহিনী বিমান ও আর্টিলারি হামলা চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, স্থানীয় একটি ফিলিস্তিনি গ্যাংয়ের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় হামাস বাহিনী ইসরাইলি ট্যাঙ্কের মুখোমুখি হয়।

দুই পক্ষের অবস্থান:
ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গাভির বলেন, “হামাসকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে হবে— তাদের প্রতি সহনশীলতা আমাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।”
অন্যদিকে হামাস নেতা ইজ্জাত আল-রিশক বলেন, “আমরা যুদ্ধবিরতির প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ, কিন্তু ইসরাইল চুক্তি ভঙ্গ করে অপরাধের অজুহাত তৈরি করছে।”

মার্কিন শান্তি উদ্যোগ:
মার্কিন শান্তি দূত স্টিভ উইটকফ আগামী সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে আসছেন যুদ্ধবিরতির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য। ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইসরাইলি বাহিনী কিছু এলাকা থেকে সরে গেলেও এখনও গাজার অর্ধেকেরও বেশি অঞ্চল তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

হামাস ইতোমধ্যেই ২০ জন জীবিত জিম্মি মুক্ত করেছে এবং নিহতদের মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে।

#Gaza



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: