odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Saturday, 6th June 2026, ৬th June ২০২৬
ডিএমএস সফটওয়্যার চালু, সারাদেশে স্থাপন করা হয়েছে ১৪টি নতুন মেইল প্রসেসিং সেন্টার

ডাকসেবা ডিজিটাল যুগে: অনলাইনে ট্র্যাক করা যাবে চিঠি ও পার্সেল

odhikarpatra | প্রকাশিত: ৬ June ২০২৬ ০০:০২

odhikarpatra
প্রকাশিত: ৬ June ২০২৬ ০০:০২

ঢাকা, ৪ জুন ২০২৬ | নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের নাগরিকরা এখন ঘরে বসেই চিঠি, পার্সেল এবং ই-কমার্স পণ্যের অবস্থান অনলাইনে ট্র্যাক করতে পারবেন। ডাক অধিদপ্তর এ লক্ষ্যে চালু করেছে ডোমেস্টিক মেইল মনিটরিং সফটওয়্যার (ডিএমএস)। পাশাপাশি ডাকসেবার মানোন্নয়নে সারাদেশে স্থাপন করা হয়েছে ১৪টি নতুন মেইল প্রসেসিং সেন্টার।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী Fakir Mahbub Anam বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে ডাকসেবাকে আধুনিক করা, লজিস্টিক সুবিধা শক্তিশালী করা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণের মাধ্যমে নাগরিকদের দ্রুত ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করা।

তিনি জানান, ডাক অধিদপ্তরের ‘মেইল প্রসেসিং অ্যান্ড লজিস্টিক সার্ভিস সেন্টার নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় ১৪টি আধুনিক মেইল প্রসেসিং সেন্টার নির্মাণ করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে চিলিং চেম্বারের সুবিধাও রাখা হয়েছে, যা ডাকসেবার গুণগত মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

একই প্রকল্পের আওতায় এক হাজার থার্মাল বক্স সংগ্রহ করা হয়েছে, যা সহজে নষ্ট হয়ে যায় এমন পণ্য নিরাপদে পরিবহনে ব্যবহৃত হবে।

মন্ত্রী বলেন, ডিএমএস সফটওয়্যারের মাধ্যমে গ্রাহকরা এখন চিঠি, পার্সেল ও ডিজিটাল কমার্স পণ্যের বর্তমান অবস্থান অনলাইনে জানতে পারবেন। এর ফলে ডাকসেবার গতি ও গ্রাহকসেবার মান উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে।

ডাকসেবার সক্ষমতা আরও বাড়াতে এবং ডিএমএস প্ল্যাটফর্মকে উন্নত করতে ‘মেইল প্রসেসিং অ্যান্ড লজিস্টিক সার্ভিস সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পের টেকসই সহায়তা’ নামে নতুন একটি উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

এদিকে দেশব্যাপী ডাকঘরের অবকাঠামো উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। ‘বাংলাদেশ ডাক অধিদপ্তরের জরাজীর্ণ ডাকঘর নির্মাণ বা পুনর্নির্মাণ (দ্বিতীয় পর্যায়, দ্বিতীয় সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় ২৭০টি ডাকঘরের নির্মাণ, পুনর্নির্মাণ ও মেরামত কাজ চলছে।

এছাড়া ‘ডাক অধিদপ্তরের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় আরও ৩৯টি নতুন ডাকঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।

ডাক বিভাগের সব কার্যক্রম ধাপে ধাপে ডিজিটাল ব্যবস্থায় নিয়ে আসতে একটি সমন্বিত রোডম্যাপও প্রণয়ন করা হয়েছে। ‘বাংলাদেশ ডাক বিভাগের জন্য স্বয়ংক্রিয় মেইল প্রসেসিং সেন্টার নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা’ প্রকল্পের ভিত্তিতে নতুন উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

এছাড়া ‘নাগরিক পর্যায়ে বিদ্যমান ডাকসেবার স্মার্ট সম্প্রসারণ ও সহজলভ্যতা’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে ডাকসেবার আধুনিকীকরণ ও ডিজিটালাইজেশনের কাজ চলমান রয়েছে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: