odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Monday, 2nd November 2026, ২nd November ২০২৬
ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি ভাঙার ঘটনায় ছাত্রদলের বিবৃতির সমালোচনা এস এম ফরহাদের

জিন্নাহর ছবি নিয়ে ছাত্রদলকে দায়মুক্তির পক্ষ নেওয়ার অভিযোগ ডাকসু জিএসের

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১৫ September ২০২৬ ০২:৩৪

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১৫ September ২০২৬ ০২:৩৪

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি/ অধিকার পত্র ডটকম :

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি রাখা নিয়ে ছাত্রদলের অবস্থানের সমালোচনা করেছেন ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ। তিনি অভিযোগ করেছেন, ছাত্রদল তাদের বিবৃতির মাধ্যমে ‘পক্ষান্তরে জিন্নাহর পক্ষে অবস্থান’ নিয়েছে এবং ছবিটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়ে তাকে দায়মুক্তি দেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে চাইছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ডাকসু ভবনের সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন এস এম ফরহাদ।

ডাকসু জিএস বলেন, সরাসরি বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণে সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবিটি নির্দিষ্টভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তার ভাষ্য, ছাত্রদল এ উপস্থাপনার বিরোধিতা করে বিবৃতি দিয়েছে এবং ছবিটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে।

এস এম ফরহাদ বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে, ছাত্রদল এখানে পক্ষান্তরে জিন্নাহর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তারা চায় জিন্নাহকে দায়মুক্তি দিতে এবং তারা চায় ছবিটা এখান থেকে সরিয়ে নিতে।’

এর আগে সোমবার দুপুরে সংগ্রহশালায় রাখা জিন্নাহর ছবিটি ভেঙে ফেলেন আবু তৈয়ব হাবিলদার নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাবেক শিক্ষার্থী। তিনি ডাকসু নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে প্রার্থী ছিলেন। ওই নির্বাচনে তিনি ১০ ভোট পেয়েছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১-০২ শিক্ষাবর্ষের উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ছবি ভাঙার ঘটনা নিয়েও মন্তব্য করেন ডাকসুর জিএস। তিনি বলেন, ছবিটি যিনি ভেঙেছেন, তিনি উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন বলে তিনি শুনেছেন। এ কারণে জিন্নাহর প্রতি তার ‘আলাদা দরদ’ থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেন ফরহাদ।

এস এম ফরহাদের দাবি, সংগ্রহশালায় রাখা ছবির ক্যাপশনে জিন্নাহর উর্দু ভাষার পক্ষে অবস্থানের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছিল। তার মতে, ছবিটি ভেঙে ফেলার মাধ্যমে ওই তথ্য মানুষের সামনে না আসার একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

তবে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে দেওয়া বক্তব্য বা অবস্থান সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া তথ্যের মধ্যে নেই।

সুত্র, আমার দেশ