অধিকারপত্র ডটকম, বিনোদন ডেক্স:
‘ফ্রেন্ডস’খ্যাত অভিনেত্রী জেনিফার অ্যানিস্টন পর্দায় যেমন পরিচিত, তেমনি মেকআপ ছাড়া স্বাভাবিক উপস্থিতির জন্যও আলোচনায় এসেছেন। ‘কেক’ সিনেমায় তাঁকে তুলনামূলকভাবে ন্যাচারাল লুকে দেখা যায়।
হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জেনিফার অ্যানিস্টনকে বিশ্বজুড়ে দর্শক সবচেয়ে বেশি চেনেন জনপ্রিয় টেলিভিশন সিরিজ ‘ফ্রেন্ডস’-এর র্যাচেল গ্রিন চরিত্রের জন্য। দীর্ঘ এক দশক ধরে এই চরিত্রে অভিনয় করে তিনি আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছে ব্যাপক পরিচিতি পান।
‘ফ্রেন্ডস’-এর সময়কার সাফল্যের পরও অ্যানিস্টন নিজেকে শুধু টেলিভিশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি। বড় পর্দায় একাধিক সিনেমায় অভিনয় করে নিজের ক্যারিয়ারকে আরও বিস্তৃত করেছেন।
এর মধ্যে ২০১৪ সালের নাট্যধর্মী সিনেমা ‘কেক’-এ তাঁর অভিনয় ছিল ব্যতিক্রমী। সিনেমাটিতে অ্যানিস্টনকে গ্ল্যামারনির্ভর উপস্থাপনার বদলে তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক ও মেকআপবিহীন লুকে দেখা যায়।
সাধারণত তারকাদের পর্দার উপস্থিতিতে মেকআপ, পোশাক ও আলোকসজ্জা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু ‘কেক’-এ অ্যানিস্টনের চরিত্রকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যেখানে তাঁর স্বাভাবিক চেহারাই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।
এই পরিবর্তন দর্শকদের কাছেও আলাদা নজর কাড়ে। কারণ ‘ফ্রেন্ডস’-এর র্যাচেল কিংবা বিভিন্ন হলিউড সিনেমায় পরিচিত গ্ল্যামারাস অ্যানিস্টনের তুলনায় এখানে তাঁকে অনেক বেশি সাধারণ ও চরিত্রনির্ভর লুকে দেখা যায়।
জেনিফার অ্যানিস্টনের সৌন্দর্যচর্চা ও ত্বকের যত্ন নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা রয়েছে। তবে মেকআপের ওপর নির্ভর না করে স্বাভাবিক উপস্থিতিতে ক্যামেরার সামনে আসার বিষয়টি তাঁর ব্যক্তিগত আত্মবিশ্বাসেরও একটি দিক হিসেবে দেখা হয়।
অ্যানিস্টনের ক্যারিয়ার অবশ্য শুধু ‘ফ্রেন্ডস’-এর সাফল্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। টেলিভিশনের পাশাপাশি সিনেমায় ধারাবাহিক কাজ করে তিনি হলিউডের অন্যতম পরিচিত অভিনেত্রী হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন।
মেকআপ ছাড়া তাঁর ছবি বা দৃশ্য সামনে এলে তাই ভক্তদের আগ্রহ তৈরি হওয়াটা নতুন নয়। বিশেষ করে ‘কেক’ সিনেমায় তাঁর ন্যাচারাল লুক এখনো তাঁর ক্যারিয়ারের আলোচিত বিষয়গুলোর একটি।
