অধিকার পত্র ডটকম | আন্তর্জাতিক
ইসরায়েলে ২৭ অক্টোবরের সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে তরুণ ভোটারদের রাজনৈতিক ঝোঁক আলোচনায় এসেছে। আল জাজিরার ২৫ অক্টোবর প্রকাশিত ভিডিও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির তরুণ ইহুদি ভোটারদের মধ্যে ডানপন্থী রাজনীতির প্রতি সমর্থন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ এবং নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে।
আল জাজিরার ২৩ অক্টোবরের বিস্তারিত প্রতিবেদনে ইসরায়েলের নির্বাচন কর্তৃপক্ষের তথ্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, ২০২২ সালের নির্বাচনের পর ১৮ থেকে ২২ বছর বয়সী পাঁচ লাখের বেশি নতুন ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। জরিপে তাঁদের প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন বলে জানানো হয়।
চ্যানেল ১২-এর একটি জরিপে প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া ইহুদি তরুণদের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ নিজেদের ডানপন্থী বা মধ্য-ডানপন্থী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এটি জরিপের ফল; সব তরুণ ভোটারের অবস্থানকে একই বলে ধরে নেওয়া যায় না।
নিরাপত্তা ও ফিলিস্তিন প্রশ্ন
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলা এবং পরবর্তী গাজা যুদ্ধ ইসরায়েলের রাজনৈতিক আলোচনায় নিরাপত্তা ও ফিলিস্তিন প্রশ্নকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। কিছু তরুণের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা সম্পর্কে হতাশার কথাও উঠে এসেছে।
ইসরায়েলের ডানপন্থী রাজনীতিতে জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ও অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচের মতো নেতাদের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা রয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, নেতানিয়াহুর সরকারে তাঁদের প্রভাব ডানপন্থী ও কঠোর নীতিগুলোকে মূলধারায় নিয়ে এসেছে। এটি সমালোচকদের মূল্যায়ন; সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক শিবিরের অবস্থান আলাদা হতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব
তরুণ ভোটারদের রাজনৈতিক মতামত গঠনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মেসেজিং অ্যাপের ভূমিকার কথাও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের জরিপ অনুযায়ী, এসব মাধ্যম তরুণদের রাজনৈতিক তথ্য পাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
নেতানিয়াহুর দল ও বিরোধী জোট—উভয়ের জন্যই নতুন ভোটারদের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। তবে তরুণদের ডানপন্থী ঝোঁক নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করবে কি না, তা নির্ভর করবে ভোটদানের হার, অন্যান্য বয়সী ভোটারদের পছন্দ এবং নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সমীকরণের ওপর।
**সূত্র: আল জাজিরা,
