07/13/2026 সকলের সহযোগিতা পেলে ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’ গড়ে তোলা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী
odhikarpatra
২৮ May ২০২৬ ১৯:৪৬
প্রকাশিত: ২৮ মে ২০২৬ | অধিকার পত্র ডটকম
বিশেষ প্রতিনিধি:
অধিকার পত্র জাতীয় ডেস্ক:
সকলের সহযোগিতা পেলে সরকার ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে সক্ষম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, “সৈনিকসহ দেশের সাধারণ মানুষ দেশকে যেভাবে কল্পনা করে, সরকার চেষ্টা করছে পর্যায়ক্রমে দেশটাকে সেভাবেই গড়ে তুলতে। আমরা দেশকে ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে চাই।”
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে ঢাকা সেনানিবাস-এ অফিসার ও সৈনিকদের সম্মানে আয়োজিত এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
দেশ গঠনে সবার দায়িত্ব রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সবারই নির্দিষ্ট কর্তব্য আছে। আমরা যদি যার যার অবস্থান থেকে সঠিকভাবে সেগুলো পালন করি, তবে অবশ্যই আমাদের কাঙ্ক্ষিত দেশটি গড়ে তুলতে সক্ষম হব।”
ঈদুল আজহার দিনে দেশবাসীর জন্য দোয়া কামনা করে তিনি বলেন, আল্লাহ যেন সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের তৌফিক দান করেন এবং সেই দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষকে নিরাপদ রাখা সম্ভব হয়।
ঈদুল আযহা উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের জিয়া কলোনিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘মৃত্যুঞ্জয়ী পঁচিশ’ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এই প্রীতিভোজের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা, সৈনিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম। পরে প্রধানমন্ত্রী সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ‘পঁচিশ মৃত্যুঞ্জয়ী’ ভবনের সামনে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা সেনানিবাসে কাটানো শৈশবের নানা স্মৃতি স্মরণ করেন। তিনি বলেন, বহু বছর পর সেনানিবাসে এসে তাঁর ছোটবেলার স্মৃতিগুলো আবারও মনে পড়ে গেছে।
তিনি জানান, ছোটবেলায় তিনি নিয়মিত বন্ধুদের সঙ্গে সাইকেল চালিয়ে সেনানিবাসের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরতেন এবং সৈনিকদের সঙ্গে কথা বলতেন। সেই সময়ের বিভিন্ন স্থাপনা ও পরিবেশের কথাও স্মৃতিচারণ করেন তিনি।
অফিসার ও সৈনিকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা দেশের প্রয়োজনে অনেকেই হয়তো আজ ছুটিতে যেতে পারেননি। ঈদের সময় সবাই পরিবারের সঙ্গে থাকতে চায়। আপনাদের এই আত্মত্যাগের জন্য আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।”
তিনি আরও বলেন, দেশের এবং দেশের মানুষের প্রয়োজনে সৈনিকরা জীবন উৎসর্গ করেন। তাই তাদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
সম্প্রতি একটি অগ্নিকাণ্ডে সেনাসদস্যদের সাহসিকতার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দুটি পত্রিকা অফিসে আগুন লাগার ঘটনায় আপনারা প্রায় ১৮ জন সাংবাদিককে উদ্ধার করেছিলেন। এটি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ চায় তাদের সন্তানরা সুন্দরভাবে লেখাপড়া করতে পারুক, পরিবার সুচিকিৎসা পাক এবং নিরাপদে বসবাস করতে পারুক। সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন