06/09/2026 নেতানিয়াহুর সঙ্গে প্রায় হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ট্রাম্পের: মার্কিন দূত
odhikarpatra
৮ June ২০২৬ ১৮:২০
অধিকারপত্র ডটকম আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি |
অধিকারপত্র নেতানিয়াহুর সঙ্গে প্রায় হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ট্রাম্পের: মার্কিন দূত লেবানন ও ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল নেতৃত্বের মধ্যে তীব্র মতবিরোধের ইঙ্গিত ওয়াশিংটন/বৈরুত, ৯ জুন: মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu-এর সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
লেবাননে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত Michel Issa দাবি করেছেন, লেবাননকে কেন্দ্র করে দুই নেতার মধ্যে এতটাই তীব্র মতবিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল যে ট্রাম্প প্রায় নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‘হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ার’ অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এবং ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা
নিয়ে দুই নেতার মধ্যে নীতিগত মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলা না চালানোর জন্য ট্রাম্প যে আহ্বান জানিয়েছিলেন, তাতে নেতানিয়াহু আপত্তি তুলেছিলেন বলে জানা গেছে। মিশেল ইসা বৈরুতে Nabih Berri-এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই সংঘাতকে আরও বিস্তৃত হতে দিতে চায় না।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রতিদিন লেবাননের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং সংঘাত নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। তিনি বলেন, “লেবানন ইস্যুতে ট্রাম্প প্রায় নেতানিয়াহুর সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন।
”যদিও তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে একাধিকবার ফোনালাপ হয়েছে। একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সর্বশেষ আলোচনায় ট্রাম্প ইসরায়েলকে নতুন সামরিক হামলা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। কারণ, এমন পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক আলোচনাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে বলে ওয়াশিংটনের আশঙ্কা।
তবে নেতানিয়াহু প্রথমে এ প্রস্তাবে আপত্তি জানালেও পরে আংশিকভাবে সম্মতি দিয়েছেন বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমাগত বাড়লেও গত ৪৮ ঘণ্টা ধরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে—এমন বার্তা দিতে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন ট্রাম্প। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে কৌশলগত অবস্থান নিয়ে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।