06/15/2026 অনগ্রসর এলাকায় শিক্ষার সুযোগ পৌঁছালে সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হবে: ডা. জুবাইদা রহমান
odhikarpatra
১৪ June ২০২৬ ২২:৩১
প্রকাশিত: ১৪ জুন ২০২৬ | নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক | অধিকারপত্র ডটকম
ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে শিক্ষার অধিকার ও সুযোগ অনগ্রসর এলাকার মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে পারলে দেশের প্রকৃত প্রতিভা খুঁজে বের করা সম্ভব হবে।
রোববার (১৪ জুন) রাজধানীর বিএএফ শাহীন কলেজ মিলনায়তনে ঢাকা জেলা প্রশাসন আয়োজিত ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ প্রতিযোগিতার ঢাকা জেলা পর্যায়ের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, উপযুক্ত সুযোগ সৃষ্টি করে দিলে প্রান্তিক পর্যায়ের সুপ্ত প্রতিভাগুলোর বিকাশের পথ আরও সুগম হবে। তিনি দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের জরাজীর্ণ ও অবহেলিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চিত্র তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় ও মেধার প্রশংসা করেন।
তিনি পিরোজপুরের ইন্দুরকানী, কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী, ঝালকাঠির রাজাপুর, মুন্সিগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও দিনাজপুরের বিরল উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত দুরবস্থার কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও শিক্ষার্থীরা শিক্ষা গ্রহণ অব্যাহত রেখেছে এবং শিক্ষকরা নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।
নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি জরাজীর্ণ বিদ্যালয়ের দেয়ালে লেখা ছিল— ‘মানুষ কখনো ব্যর্থ হয় না, হয় সে জিতবে, না হলে সে শিখবে’। এমন অনুপ্রেরণামূলক বাণী প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু বিদ্যালয়ে দেখা যায়, যা শিক্ষার্থীদের জীবনের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, সরকারের লক্ষ্য কেবল জিপিএ-৫ অর্জন নয়, বরং সৃজনশীলতা ও মেধার বিকাশের মাধ্যমে প্রকৃত মানুষ তৈরি করা। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাস্তবমুখী ও উদ্ভাবনভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, সারা দেশ থেকে প্রায় ৩৬ হাজার উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে প্রতিযোগিতাটি শুরু হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, এ আয়োজনের নেপথ্যে ডা. জুবাইদা রহমানের সৃজনশীল চিন্তা ও উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিনসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে ঢাকা জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ৩৭টি দলের মধ্য থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ডা. জুবাইদা রহমান। প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান লাভ করে যথাক্রমে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ এবং হলি ক্রস কলেজ।