odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Saturday, 7th November 2026, ৭th November ২০২৬
ভাটারার একটি বাড়িতে ডিবির অভিযান, মাদক উদ্ধারের তথ্য; বাড়িটি স্বল্পমেয়াদে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল বলে পুলিশের দাবি

ভাড়া বাড়িতে ডিজে পার্টি, নারীসহ ৮৪ জন আটক; পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিআইজি জহির

odhikarpatra | প্রকাশিত: ২০ October ২০২৬ ২১:৫৪

odhikarpatra
প্রকাশিত: ২০ October ২০২৬ ২১:৫৪

অধিকারপত্র ডটকম | নগর ডেক্স :

পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরকে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাঁর ভাড়া দেওয়া একটি বাড়িতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অভিযানে মাদক উদ্ধারের পাশাপাশি নারীসহ ৮৪ জনকে আটক করার পর মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সই করা আদেশে বলা হয়, অতিরিক্ত ডিআইজি (রিপেয়ার অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) আব্দুল্লাহ আল জহিরকে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হলো। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। তবে তাঁকে সংযুক্ত করার কারণ আদেশে উল্লেখ করা হয়নি।

এর আগে সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর ভাটারা থানাধীন পুলিশ হাউজিং-১ এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালায় ডিবির গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের একটি দল। ওই বাড়িতে মাদকসেবন ও মাদকের কারবারের পাশাপাশি ডিজে পার্টি আয়োজনের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয় বলে জানায় পুলিশ।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, অভিযানে ২৬ জন নারী ও ৫৮ জন পুরুষকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন আফগানিস্তানের নাগরিক রয়েছেন বলেও জানান তিনি।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বাড়িটি অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের এবং সেটি Airbnb প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল। সেখানে অবৈধভাবে মাদকসেবন ও ডিজে পার্টি পরিচালিত হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ডিবি সূত্রের বরাতে জাগো নিউজ জানিয়েছে, অভিযানে বাড়ি থেকে গাঁজা, ইয়াবা, মদ এবং ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার ইলিয়াস কবির জানান, বাড়িটি হোস্ট ও কো-হোস্টের মাধ্যমে পরিচালিত হতো। কো-হোস্ট মাহবুবুল আলমকে আটক করা হয়েছে।

তবে বাড়িটির মালিক হিসেবে উল্লেখ করা পুলিশ কর্মকর্তা অভিযানের বিষয়ে কী বক্তব্য দিয়েছেন, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। একইভাবে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কী ধরনের মামলা হয়েছে বা তাঁদের পরবর্তী আইনি অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যও প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।