নিজস্ব প্রতিবেদক | অধিকারপত্র ডটকম
১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে প্রস্তাবিত 'জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন' এবং 'সম্প্রচার কমিশন' অধ্যাদেশের খসড়া প্রকাশ করায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সম্পাদক পরিষদ। অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের একেবারে শেষ পর্যায়ে এসে এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তড়িঘড়ি করাকে অনভিপ্রেত ও অযৌক্তিক বলে মনে করছে সংবাদপত্রের সম্পাদকদের এই সংগঠনটি।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নূরুল কবীর ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ এক যৌথ বিবৃতিতে এই উদ্বেগের কথা জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো ১০ মাস ধরে পড়ে থাকলেও এখন নির্বাচনের আগ মুহূর্তে তড়িঘড়ি করে খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে। এমনকি জনমতামত দেওয়ার জন্য মাত্র তিন দিন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সম্পাদক পরিষদ মনে করে, এই খসড়াগুলোর কাঠামোতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুরক্ষার চেয়ে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের আশঙ্কা বেশি স্পষ্ট।
উল্লেখ্য, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় গত মঙ্গলবার ও বুধবার আলাদাভাবে এই দুটি অধ্যাদেশের খসড়া ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠিত হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান সরকারের এই শেষ সময়ের উদ্যোগ নিয়ে সাংবাদিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
সম্পাদক পরিষদের মতে, এ ধরনের সুদূরপ্রসারী আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সাংবাদিক, সম্পাদক এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিস্তৃত ও অর্থবহ আলোচনার প্রয়োজন। তড়িঘড়ি করে আইন চাপিয়ে দেওয়া গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী। তাই নির্বাচিত সংসদ গঠনের পরেই সব অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া সমীচীন বলে মনে করে সংগঠনটি।
#EditorCouncil #MediaCommission #PressFreedom #BangladeshElection2026 #গণমাধ্যম_স্বাধীনতা #সম্পাদক_পরিষদ #অধিকারপত্র #সংবাদপত্র
সম্পাদক পরিষদ জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৬ সম্প্রচার কমিশন খসড়া নূরুল কবীর দেওয়ান হানিফ মাহমুদ গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন সংবাদপত্রের স্বাধীনতা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: