odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Monday, 14th September 2026, ১৪th September ২০২৬
চুক্তিতে ইরানকে বড় ধরনের ছাড় দেওয়া হয়েছে—এমন প্রতিবেদনের তীব্র সমালোচনা মার্কিন প্রেসিডেন্টের

অসম্মানজনক’: ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তির ফাঁস হওয়া শর্তকে ‘ভুয়া’ বললেন ট্রাম্প

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১২ June ২০২৬ ২২:১৬

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১২ June ২০২৬ ২২:১৬

অধিকার পত্র ডটকম প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি

ওয়াশিংটন: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি ও শান্তি চুক্তির ফাঁস হওয়া শর্তাবলীকে ‘সম্পূর্ণ অসত্য’ বলে দাবি করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, তেহরান ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য প্রচার করছে এবং আলোচনার বিষয়ে গণমাধ্যমে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তা লিখিতভাবে সম্মত হওয়া কোনো শর্তের সঙ্গে মিল নেই।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ইরান যে শর্তগুলো প্রকাশ করেছে, সেগুলোর সঙ্গে বাস্তব আলোচনার কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি ইরানের নেতাদের ‘অসম্মানজনক’ বলে অভিহিত করে বলেন, তাদের সঙ্গে সদিচ্ছার ভিত্তিতে আলোচনা করা কঠিন।

এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খসড়া চুক্তির তথ্যে দাবি করা হয়, চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কিছু জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করবে এবং দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি অপরিবর্তিত থাকবে। তবে মার্কিন প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এসব দাবি নাকচ করে বলেন, সম্ভাব্য চুক্তিটি সম্পূর্ণভাবে ‘পারফরম্যান্স-ভিত্তিক’ এবং ইরান নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করা পর্যন্ত কোনো অর্থ ছাড় করা হবে না।

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, আলোচ্য চুক্তিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ভেঙে ফেলা, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ এবং আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা বন্ধ করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল পুনরুদ্ধারের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এখনো কোনো চূড়ান্ত শান্তি চুক্তি হয়নি এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। তেহরানের দাবি, আলোচনার অগ্রগতি হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো গ্রহণ করা হয়নি।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা, সামরিক হামলা এবং পাল্টা হামলার প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে ফাঁস হওয়া শর্তাবলী নিয়ে দুই পক্ষের বিপরীতমুখী বক্তব্য নতুন করে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: