অধিকার পত্র ডটকম
প্রকাশিত: ১২ জুন ২০২৬
ইরান সংঘাত: কেন তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের আশপাশে আটকে আছে?
যুদ্ধ, অবরোধ ও সরবরাহ সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম প্রত্যাশার তুলনায় বেশি না বাড়ার পেছনে রয়েছে একাধিক কারণ
আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি
ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করলেও অপরিশোধিত তেলের দাম এখনও ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০০ ডলারের আশপাশে অবস্থান করছে। বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের জ্বালানি প্রবাহের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ব্যাহত হলেও বাজারে এখনো সেই ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ তৈরি হয়নি, যা তেলের দামকে ১২০-১৫০ ডলারে ঠেলে দিতে পারত।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেলের দাম তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকার পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—বৈশ্বিক চাহিদার দুর্বলতা, বিশেষ করে চীনের তেল আমদানি কমে যাওয়া; বিকল্প রুটে সীমিত পরিমাণে তেল পরিবহন অব্যাহত থাকা; এবং সংঘাত নিরসনে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার সম্ভাবনা।
স্ট্রেইট অব হরমুজে উত্তেজনা থাকা সত্ত্বেও কিছু তেল ট্যাংকার এখনও বিভিন্ন উপায়ে চলাচল করছে। ফলে বিশ্ববাজারে সম্পূর্ণ সরবরাহ বিপর্যয় ঘটেনি। একই সঙ্গে বাজার অংশগ্রহণকারীরা ধারণা করছেন, কূটনৈতিক সমাধান এলে সরবরাহ পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি হতে পারে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতার খবর সামনে আসার পর তেলের দাম আরও নিচে নেমেছে। ১২ জুন ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৯০ ডলারের নিচেও নেমে আসে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে।
তবে অর্থনীতিবিদদের সতর্কবার্তা, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে কিংবা হরমুজ প্রণালিতে নতুন করে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি হলে তেলের দাম আবারও দ্রুত বাড়তে পারে। বাজার বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সরবরাহ ঘাটতি ও মজুত হ্রাস অব্যাহত থাকলে আগামী মাসগুলোতে দাম পুনরায় ১০০ ডলারের ওপরে উঠতে পারে।
ইরান সংঘাত: কেন তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের আশপাশে আটকে আছে?
হ্যাশট্যাগ:
#ইরান_সংঘাত #তেলের_দাম #ব্রেন্ট_ক্রুড #বিশ্বঅর্থনীতি #জ্বালানি_বাজার #হরমুজ_প্রণালি #অধিকারপত্র
কীওয়ার্ড:
ইরান যুদ্ধ, তেলের দাম, ব্রেন্ট ক্রুড, হরমুজ প্রণালি, জ্বালানি সংকট, বিশ্ব অর্থনীতি, তেল বাজার, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত, বৈশ্বিক জ্বালানি।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: