odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Thursday, 17th September 2026, ১৭th September ২০২৬

নিরাপত্তা উদ্বেগে ইরানি দূতাবাসের কর্মীকে বহিষ্কার সুইডেনের

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১৭ September ২০২৬ ০৬:৩৩

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১৭ September ২০২৬ ০৬:৩৩

 

অধিকার পত্র ডটকম 

নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে সুইডেনে ইরানি দূতাবাসের এক কর্মীকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে সুইডেন। একই সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সুইডিশ সরকার জানায়, স্টকহোমে ইরানি দূতাবাসের ওই কর্মীর কার্যক্রম কূটনৈতিক সম্পর্কবিষয়ক ভিয়েনা কনভেনশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ কারণেই তাকে সুইডেন ছাড়তে বলা হয়েছে।

সুইডেনের বিচারমন্ত্রী গুনার স্ট্রোমার অভিযোগ করেন, ইরান দীর্ঘদিন ধরে সুইডেনে এমন কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে, যা দেশটির নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে। তাঁর দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের লক্ষ্য ছিল ইরানি সরকারের বিরোধী ব্যক্তি এবং সুইডেনে থাকা বিভিন্ন ইহুদি ও ইসরায়েলি স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা স্থাপনা।

স্ট্রোমারের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব কর্মকাণ্ডে অপরাধী চক্রকে ব্যবহার করা হয়েছে। সুইডিশ নিরাপত্তা সংস্থার মুখপাত্র জোনাথন সভেনসনও বলেন, ইরান সুইডেনে নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করে এমন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে এবং হামলা বা সহিংসতা চালাতে প্রক্সি হিসেবে অপরাধী নেটওয়ার্ক ব্যবহারের চেষ্টা করছে।

সুইডেনের নিরাপত্তা সংস্থা এর আগে ২০২৪ সালে অভিযোগ করেছিল, ইরান ইসরায়েল ও অন্যান্য স্বার্থসংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে সহিংস কর্মকাণ্ড চালাতে অপরাধী চক্রের সদস্যদের নিয়োগ করেছে। সুইডিশ নিরাপত্তা সংস্থার ২০২৪–২৫ সালের প্রতিবেদনে দেশটিতে ইরান-সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা হুমকি এবং ইসরায়েলি স্বার্থের বিরুদ্ধে সহিংস কর্মকাণ্ডে অপরাধী নেটওয়ার্ক ব্যবহারের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।

তবে ইরান এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে কোরআন পোড়ানোর ঘটনার পর প্রতিশোধের আহ্বান জানিয়ে সুইডেনে প্রায় ১৫ হাজার খুদে বার্তা পাঠানোর ঘটনায়ও ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসকে (আইআরজিসি) দায়ী করেছিল সুইডেন; ইরান ওই অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করে।

সাম্প্রতিক এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সুইডেন ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তবে ইরানি দূতাবাসের বহিষ্কৃত কর্মীর বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে, সুইডিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক বিবৃতিতে তা বিস্তারিত জানানো হয়নি।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: