odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Sunday, 20th September 2026, ২০th September ২০২৬
২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার কথা; ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তন, উন্নয়ন, শান্তি ও বৈশ্বিক সংকটের বিষয় তুলে ধরার প্রস্তুতি

জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে ২৪ সেপ্টেম্বর ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১৯ September ২০২৬ ২৩:৫২

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১৯ September ২০২৬ ২৩:৫২

অধিকারপত্র ডটকম | আনর্তরজাতিক ডেক্স

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি হবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তাঁর প্রথম ভাষণ। বাসসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর মধ্য দিয়ে জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন বলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন। তাঁর ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তন ও জলবায়ু ন্যায়বিচারের বিষয় গুরুত্ব পাবে বলে আগেই জানানো হয়েছে।

বাসসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বাংলাদেশের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক রূপান্তর, উন্নয়নের অগ্রাধিকার, বৈশ্বিক শান্তি এবং আন্তর্জাতিক সংকটের টেকসই সমাধানের বিষয়গুলো স্থান পেতে পারে। দারিদ্র্য বিমোচন, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, জলবায়ু মোকাবিলা ও জলবায়ু অর্থায়নের বিষয়ও গুরুত্ব পাওয়ার কথা রয়েছে। রোহিঙ্গা সংকটকেও সফরের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

জিয়া পরিবারের এর আগে দুই সদস্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়েছেন। বাসসের তথ্য অনুযায়ী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেন। পরে ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে ভাষণ দেন। ১৯৯৫, ২০০২ ও ২০০৫ সালেও তিনি জাতিসংঘের বিভিন্ন সাধারণ পরিষদীয় কার্যক্রমে বক্তব্য দেন।

এবারের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য আরও তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বর্তমানে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, অধিবেশনের সাধারণ বিতর্ক ২২ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

এবারের সাধারণ বিতর্কের প্রতিপাদ্য হলো—‘Restoring trust, managing transformation: a United Nations that delivers for all’। জাতিসংঘ জানিয়েছে, বিশ্বনেতারা এই পর্বে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, শান্তি, নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে তাঁদের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন।