odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Sunday, 1st February 2026, ১st February ২০২৬

মাহমুুদুল্লাহ রিয়াদের টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের ঘোষণা

odhikarpatra | প্রকাশিত: ৮ October ২০২৪ ২১:৫৭

odhikarpatra
প্রকাশিত: ৮ October ২০২৪ ২১:৫৭

ভারতের বিপক্ষে চলমান তিন ম্যাচের সিরিজ শেষে টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিবেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।

আগামীকাল দিল্লিতে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচের আগে সাংবাদিকদের অবসরের কথা জানান মাহমুদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘এই সিরিজ শেষে টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিবো আমি।’
গোয়ালিয়রে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেটে হারে বাংলাদেশ। ঐ ম্যাচে মাত্র ১ রান করে ভারতের অভিষিক্ত পেসার মায়াঙ্ক যাদবের শিকার হন মাহমুুদুল্লাহ। 
মাহমুদুল্লাহ আরও বলেন, ‘এই সিরিজের আগেই অবসর নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমি। এ বিষয়ে পরিবারের সাথে কথা বলেছি এবং দলের কোচ, অধিনায়ক, নির্বাচক এবং বোর্ড সভাপতিকেও সিদ্ধান্ত জানিয়েছি। আমি মনে করি, এটাই সঠিক সময় এই সংস্করণ থেকে সড়ে যাবার এবং শুধুমাত্র ওয়ানডের দিকে মনোযোগী হবার।’
২০২১ সালে জিম্বাবুয়ের ম্যাচ শেষে টেস্ট ফরম্যাট থেকে অবসর নিয়েছিলেন মাহমুদুল্লাহ। তিনি মনে করেন ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে তরুণদের নিয়ে এখন থেকেই দল সাজানোর কাজ করা করবে বাংলাদেশ। 
৩৮ বছর বয়সী মাহমুদুল্লাহ বলেন, ‘এই ফরম্যাটে এখনই এগিয়ে যাবার সময়। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য দল গড়ার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটার আছে, যারা জায়গা স্থায়ী করার সামর্থ্য রাখে।’
২০০৭ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয় মাহমুদুল্লাহর। এখন পর্যন্ত দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১৩৯টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি।
মাহমুদুল্লাহর বিদায়ে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের ‘পঞ্চপান্ডব’ যুগের সমাপ্তি হলো। মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল ও মাহমুদুল্লাহ বাংলাদেশ ক্রিকেটের সেরা জনপ্রিয় পাঁচ ক্রিকেটার। 
কানপুরে ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের পর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট থেকে অবসর নেন সাকিব। 
২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্ব¦কাপে ভারতের কাছে হার মাহমুদুল্লাহর টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে সবচেয়ে হতাশাজনক অংশ। তবে ২০১৮ সালে নিদাস ট্রফি মাহমুদুল্লাহর ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত। ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে জিততে ৩ বলে ২ রান প্রয়োজন ছিলো বাংলাদেশের। ঐ সময় উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসেন মাহমুদুল্লাহ। পরে ঐ ম্যাচে হার বরণ করে নেয় টাইগাররা। 
দুই বছর পর নিদাহাস ট্রফিতে স্বাগতিক শ্রীলংকার বিপক্ষে ১৮ বলে ৪৩ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে ফাইনালে তুলেন মাহমুদুল্লাহ। ফাইনালে উঠে ভারতের কাছে হেরে যায় টাইগাররা। ঐ আসরে তার ১৫৭.৩৮ স্ট্রাইক রেট ছিলো। 
টি-টোয়েন্টিতে ১৩৯ ম্যাচে ২৩.৪৮ গড় ও ১১৭.৭৪ স্ট্রাইক রেটে ২৩৯৫ রান করেছেন মাহমুদুল্লাহ।
টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে নেতৃত্ব দেওয়ার রেকর্ডও মাহমুদুল্লাহর। তার অধীনে ৪৩ ম্যাচে ১৬টিতে জয় ও ২৬টিতে হেরেছে বাংলাদেশ। 



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: