odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Sunday, 8th November 2026, ৮th November ২০২৬
প্রত্যাশা সম্মেলনে ঢাবি উপাচার্যের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের হাসির রোল”

ডাকসুকে ঘিরে হাসির ঝড়, ঢাবি ভিসির রসিকতায় গুনগুন ক্যাম্পাস!

odhikarpatra | প্রকাশিত: ২০ November ২০২৫ ২৩:২০

odhikarpatra
প্রকাশিত: ২০ November ২০২৫ ২৩:২০

ডাকসুকে ঘিরে রসিকতায় মজলেন ঢাবি ভিসি: ‘ডাকসু আসলে… হল, আর তোরা সামনে বসে আছিস!’

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, অধিকার পত্র ডটকম
২০ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘প্রত্যাশা সম্মেলন ২০২৪’-এ অংশ নিয়ে উপাচার্য (ভিসি) নিয়াজ আহমেদ খান শিক্ষার্থীদের সামনে প্রাণবন্ত ও হাস্যরসাত্মক ভাষণে মঞ্চ মাতিয়ে তুলেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সজ্জিত মঞ্চে দাঁড়িয়ে শুরু থেকেই হালকা-চোখে, হাসিমুখে বক্তব্য দিয়ে তিনি পুরো পরিবেশকে আনন্দময় করে তুলেন।

মঞ্চে ভিসির গলায় ঝোলানো আইডি কার্ড আর পেছনের নীল ব্যানারে ‘প্রত্যাশা সম্মেলন ২০২৪’ লেখা—সব মিলিয়ে পুরো পরিবেশ ছিল উৎসবমুখর।

ভিসি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি আয়োজন সফল করতে শিক্ষার্থীরাই মূল শক্তি। তিনি তরুণদের উদ্যম, অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন। তার বক্তব্যে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা বারবার হাসিতে ফেটে পড়েন।

ডাকসু প্রসঙ্গে ভিসির ভাইরাল রসিকতা

সবচেয়ে আলোচিত অংশ আসে ঢাবি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ—ডাকসুকে ঘিরে।

হঠাৎ রসিকতার সুরে ভিসি বলেন—

“ডাকসু আসলে… হল, আর তোরা আমার সামনে বসে আছিস!”

এই মন্তব্যে মুহূর্তেই অডিটোরিয়ামে হাসির রোল পড়ে যায়।
তিনি আরও বলেন—

“ডাকসুকে ঘিরে সারা বাংলাদেশে আগ্রহ—ভাবলে মনে হয় যেন মহাযুদ্ধ! কিন্তু বাস্তবে দেখো—না কোনো ফ্ল্যাগ, না কোনো অস্ত্রধারী, না নাটকীয়তা। খুব কমপ্রিহেনসিভ, প্রভাবও পরিষ্কার—কিন্তু নাটকীয় কিছুই নেই!”

তার ইঙ্গিত ছিল—ডাকসু নিয়ে মানুষের কল্পনা ও বাস্তবতা সম্পূর্ণ আলাদা।

‘সীমাবদ্ধতার মধ্যেও কাজ—এটাই বড় অর্জন’

অনুষ্ঠান আয়োজনকারীদের উদ্দেশে ভিসি আরও বলেন—

“সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তোমরা নিষ্ঠা নিয়ে কাজ করেছো। আমরা আল্লাহর শোকর আদায় করি। প্রত্যেককে ধন্যবাদ।”

তার এই বক্তব্য আয়োজক ও শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ হিসেবে উপস্থিত সবার কাছে ইতিবাচকভাবে পৌঁছে যায়।

শেষ পর্যন্ত ‘প্রত্যাশা সম্মেলন’ পরিণত হয় প্রাণবন্ত, অংশগ্রহণমূলক এবং রসিকতাপূর্ণ এক আলোচনায়।


 

 

 


DU