odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Thursday, 5th November 2026, ৫th November ২০২৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পোষ্য কোটা ‘পুনর্বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ২৪ February ২০২৬ ১৭:৪৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৪ February ২০২৬ ১৭:৪৭

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে (প্রথম বর্ষে) ভর্তির ক্ষেত্রে ‘প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা’ নামে আবার পোষ্য কোটা ফেরানোর প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন একদল শিক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়। আগামীকাল বুধবার বেলা ১১টার মধ্যে সিদ্ধান্তটি স্থগিত করা না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পোষ্য কোটাকে অযৌক্তিক উল্লেখ করে যৌক্তিক সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে আমৃত্যু গণ-অনশন শুরু করেন ১৪ জন শিক্ষার্থী। প্রায় ১৯ ঘণ্টার অনশনের পর উপাচার্যের আশ্বাসে অনশন ভাঙেন তাঁরা। ওই রাতেই পোষ্য কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে নতুন সিদ্ধান্ত জানান উপাচার্য। তখন জানানো হয়, পোষ্য কোটায় মোট ৪০টি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে এবং শুধু সংশ্লিষ্টদের সন্তানের ক্ষেত্রে এ সুবিধা পাওয়া যাবে। আর পোষ্য কোটায় পাস নম্বর করা হয় ৪০ শতাংশ।

প্রশাসনের ওই সংস্কারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ৪ ফেব্রুয়ারি অবরোধ কর্মসূচির ডাক দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ওই দিন প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীদের সাঁটানো পোস্টার ছেঁড়া নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষে উত্তেজনা তৈরি হলে শিক্ষার্থীরা পোষ্য কোটা পুরোপুরি বাতিলের দাবি জানিয়ে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। পরে উপাচার্য বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে পোষ্য কোটা সম্পূর্ণরূপে বাতিল ঘোষণা করেন। তবে ক্যাম্পাসে চাকরিজীবীদের দিক বিবেচনা করে প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা থাকবে বলেও ওই সময় জানান উপাচার্য।

এরপর গতকাল সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে পোষ্য কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের আবেদন করার বিজ্ঞপ্তি দেয় কর্তৃপক্ষ। এতে বলা হয়েছে, আগামী ১ থেকে ৯ মার্চ প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার আওতায় অনলাইন ভর্তি ফরম পূরণ করা যাবে। এর আওতায় ভর্তির আবেদনকারী শিক্ষার্থীকে প্রমাণস্বরূপ অফিস প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্রের ফটোকপি উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে শিক্ষা শাখায় জমা দিতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার আওতায় ভর্তির জন্য এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ঔরসজাত/গর্ভজাত সন্তান বিবেচিত হবে।