odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Tuesday, 3rd March 2026, ৩rd March ২০২৬
গাজীপুর কাপাসিয়ায় পারিবারিক কলহ, সম্পত্তি বিতর্ক ও হুমকির ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী

পারিবারিক নির্যাতন ও জমি বিরোধে উত্তাল কাপাসিয়া: বাতেন মৌলভির বড় ছেলের জিডি, হুমকির অভিযোগে ছোট চাচা ছাত্তার

odhikarpatra | প্রকাশিত: ২ March ২০২৬ ০৭:৩৬

odhikarpatra
প্রকাশিত: ২ March ২০২৬ ০৭:৩৬

বিশেষ প্রতিনিধি, অধিকার পত্র ডটকম

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা এলাকায় পারিবারিক নির্যাতন, জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও হুমকির অভিযোগে থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা বাতেন মৌলভির বড় ছেলে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তার পরিবার পারিবারিক কলহ, মানসিক নির্যাতন ও সম্পত্তি সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগছে। তিনি দাবি করেন, শৈশব থেকেই বাবার আচরণ এবং পরিবারের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে তাকে নানা বাড়িতে থাকতে হয়েছে। বাবার বিদেশে অবস্থান, পরবর্তীতে সম্পর্কের অবনতি এবং পারিবারিক বিরোধ তার বেড়ে ওঠায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অভিযোগে বলা হয়, বাবার ছোট ভাই ছাত্তার ও পরিবারের কয়েকজন সদস্যের প্ররোচনায় তার মা নিয়মিত মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে বাবার তৃতীয় সংসার রয়েছে এবং সম্পত্তি বিক্রি ও অর্থ লেনদেন নিয়ে নতুন করে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

গত ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাড়িতে গেলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় অশালীন ভাষা, হুমকি ও মানসিক চাপের মুখে পড়েন তিনি ও তার এক বন্ধু। পরবর্তীতে ছোট চাচা ছাত্তারকে ফোন করলে হুমকিমূলক আচরণের অভিযোগ তোলেন তিনি।

এ ঘটনায় ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে তিনি কাপাসিয়া থানা-য় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। জিডি নম্বর: ১৩৪৬, ট্র্যাকিং নং: JL7KNF। ডিউটি অফিসার তহুরা আক্তার ও এএসআই সোহেল মিয়া ডায়েরীটি গ্রহণ করেন। থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শাহীনুর আলম প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীর ভাষ্য, “আইন কি এসব পারিবারিক নির্যাতন ও জমি বিরোধের সমাধান দিতে পারে না? অনেকেই ভয়ে মুখ খুলতে পারেন না।”

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার ভাষ্য অনুযায়ী, পারিবারিক বিরোধের জেরে উত্তেজনা দীর্ঘদিনের। তবে অভিযুক্ত পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার প্রমাণ হিসেবে একটি ভিডিও লিংক জমা দেওয়া হয়েছে, যা প্রশাসনিক যাচাইয়ের বিষয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় পারিবারিক নির্যাতন, সম্পত্তি বিরোধ এবং সামাজিক ভীতির বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পরই ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: