odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Wednesday, 3rd June 2026, ৩rd June ২০২৬
যুদ্ধ শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দাবি; স্যাটেলাইট বিশ্লেষণে উঠে এসেছে নতুন চিত্র

ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০ মার্কিন সামরিক স্থাপনা, স্যাটেলাইট ছবিতে নতুন তথ্য

odhikarpatra | প্রকাশিত: ২ June ২০২৬ ২৩:২৩

odhikarpatra
প্রকাশিত: ২ June ২০২৬ ২৩:২৩

অধিকার পত্র ডটকম
আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি | প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের মধ্যে ইরানের হামলায় অন্তত ২০টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও উন্মুক্ত উৎসের তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, ইরাক ও ওমানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো হামলার শিকার হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় বিমানঘাঁটি, জ্বালানি সংরক্ষণাগার, বিমান হ্যাঙ্গার, রাডার স্থাপনা, সেনা আবাসন এবং সামরিক যোগাযোগ অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে। কিছু স্থানে উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ মার্কিন প্রশাসনের প্রকাশিত তথ্যের চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে। বিভিন্ন স্যাটেলাইট চিত্রে শতাধিক স্থাপনা ও সামরিক সরঞ্জামের ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত ২২৮টি স্থাপনা বা সামরিক সরঞ্জাম আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্যাটেলাইট বিশ্লেষণে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ারবেস, কুয়েতের আলী আল-সালেম এয়ারবেস ও ক্যাম্প আরিফজান, কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটি এবং বাহরাইনের নৌঘাঁটির ক্ষয়ক্ষতির চিত্র উঠে এসেছে। কিছু ক্ষেত্রে নজরদারি বিমান, জ্বালানি স্থাপনা এবং সেনা অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

যদিও মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন) নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত প্রকাশে সংযত অবস্থান নিয়েছে, তবে স্বাধীন স্যাটেলাইট বিশ্লেষক ও গণমাধ্যমের অনুসন্ধান যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও ড্রোন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের বিরুদ্ধে একাধিক পাল্টা হামলা চালিয়েছে। উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘাত অব্যাহত থাকলেও সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনার প্রচেষ্টা চলছে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: