odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Saturday, 18th July 2026, ১৮th July ২০২৬
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তবে জনগণের দেওয়া ম্যান্ডেট ও নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী তা বাস্তবায়ন করা হবে বলে মন্তব্য

জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে: মির্জা ফখরুল

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১৭ July ২০২৬ ২২:৫৩

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১৭ July ২০২৬ ২২:৫৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, অধিকার পত্র ডটকম, 
প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮ রাত

ঢাকা: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জুলাই সনদ ইস্যুতে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, বিএনপি কখনোই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিরোধিতা করেনি; বরং নির্বাচনী অঙ্গীকার ও জনগণের দেওয়া ম্যান্ডেট অনুযায়ী তা বাস্তবায়নে দলটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমেদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ রিসার্চ সেন্টার ও জাতীয় সাংবাদিক সমিতি।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে—সংসদে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে এর ফয়সালা হবে। তবে এ ধরনের বক্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করছে।

গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রস্তাবিত কিছু বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। বিশেষ করে উচ্চকক্ষে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের বিষয়ে দলটি কখনোই সম্মতি দেয়নি। এ বিষয়ে আগেও বিএনপি আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপি নতুন সংবিধান প্রণয়নের পক্ষে নয়; দলটি প্রয়োজনীয় সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে চায়।

তিনি দাবি করেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র, সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই সংস্কার প্রশ্নে বিএনপিকে নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্র, সহনশীলতা ও জাতীয় ঐক্যের পরিবেশ বজায় রেখে দেশের উন্নয়ন এগিয়ে নিতে হবে। জুলাই সনদকে রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করারও আহ্বান জানান তিনি।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী। এছাড়া বক্তব্য দেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসান এবং অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ রিসার্চ সেন্টারের আহ্বায়ক অধ্যাপক আবদুল লতিফ মাসুম।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: