অনলাইন ডেস্ক, ঢাকা
প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। টানা অষ্টম রাতের মতো ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতেই এসব হামলা পরিচালিত হয়েছে। একই সময়ে ইরানও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। এতে কুয়েতের একটি লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ (ডিস্যালিনেশন) স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাম্প্রতিক হামলায় নিহত দুই মার্কিন সেনাসদস্যের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, তাদের আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না এবং প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেবে।
অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা স্মারক (MoU) কার্যত স্থগিত করা হয়েছে। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চলমান হামলার জবাব দেওয়া হবে এবং জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংঘাতের কারণে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ, নৌ চলাচল এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উভয় পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত কূটনৈতিক উদ্যোগ না নেওয়া হলে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত আরও বিস্তৃত হতে পারে।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: