odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Monday, 9th November 2026, ৯th November ২০২৬
সরকারি কর্মচারীর পক্ষে বাইরের ব্যক্তি বা প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে তদবিরকে অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ।

চাকরি নিয়ে তদবির করলেই বিভাগীয় ব্যবস্থা, নির্দেশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের

odhikarpatra | প্রকাশিত: ২০ September ২০২৬ ১৮:৪৬

odhikarpatra
প্রকাশিত: ২০ September ২০২৬ ১৮:৪৬

অধিকার পত্র ডটকম | নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি কর্মচারীদের চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে বাইরের ব্যক্তি বা প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে তদবির করাকে অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ শাখা থেকে সম্প্রতি একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। উপসচিব তানিয়া আফরোজ স্বাক্ষরিত ওই পত্রে সরকারি কর্মচারীদের চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে তদবির বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের আচরণ ও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কী ধরনের আচরণ করতে হবে, তা সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এ নির্ধারণ করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানায়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে—সরকারি কর্মচারীদের কেউ কেউ চাকরি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে তদবিরের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে পাঠাচ্ছেন।

এ ধরনের তদবির সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর বিধি ২০-এর লঙ্ঘন। একই সঙ্গে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ২(খ) অনুযায়ী এটি অসদাচরণের শামিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিভাগীয় ব্যবস্থা ও ডোসিয়ারে সংরক্ষণের নির্দেশ

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির করালে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

একই সঙ্গে তদবিরের বিষয়টি বিস্তারিতভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর ডোসিয়ারে সংরক্ষণ করতে হবে।

যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে

তবে চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারি কর্মচারীদের আবেদন করার সুযোগ রয়েছে বলে নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে।

কোনো কর্মচারী তাঁর চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে পারবেন। এ ধরনের আবেদন পাওয়ার পর নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়কে সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে যৌক্তিকভাবে তা নিষ্পত্তি করতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিজ নিজ নিয়ন্ত্রণাধীন দপ্তর ও সংস্থায় এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।

নির্দেশনাটি প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সব সিনিয়র সচিব ও সচিব, সব বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।