odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Thursday, 5th November 2026, ৫th November ২০২৬
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটজনের অভিযোগ আমলে নিয়ে পলাতক পাঁচজনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

জাফর ইকবাল-মাকসুদ কামালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

odhikarpatra | প্রকাশিত: ২০ September ২০২৬ ২১:৫৩

odhikarpatra
প্রকাশিত: ২০ September ২০২৬ ২১:৫৩

অধিকারপত্র ডটকম / বিশেষ প্রতিনিধি 

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও এর আশপাশের এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় লেখক ও অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামালসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

ট্রাইব্যুনাল একই মামলায় আট আসামির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া পাঁচজন হলেন—অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, এ এস এম মাকসুদ কামাল, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন।

ট্রাইব্যুনাল পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করে আগামী ২২ অক্টোবর হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অপর তিন আসামি হলেন সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত। তাঁরা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং তাঁদেরও আগামী ২২ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় পাঁচজনকে হত্যা, হত্যাচেষ্টা এবং শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও নির্যাতনে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগ এখনো বিচারিকভাবে প্রমাণিত নয়।

এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ আট আসামির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে।

মামলার পরবর্তী শুনানিতে ২২ অক্টোবর গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আওতায় থাকা আসামিদের হাজির করার বিষয়টি সামনে আসবে।