odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Sunday, 27th September 2026, ২৭th September ২০২৬
ম্যাথিউ হুইটেকারের দাবি, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও নৌ অবরোধে চাপে ইরানের অর্থনীতি; হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে

ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ট্রাম্প সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন: ন্যাটো রাষ্ট্রদূত

odhikarpatra | প্রকাশিত: ২৭ September ২০২৬ ০৬:৪৭

odhikarpatra
প্রকাশিত: ২৭ September ২০২৬ ০৬:৪৭

অধিকারপত্র ডটকম অনলাইন প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং আলোচনায় ফেরার সর্বশেষ প্রস্তাব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তার সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ন্যাটোতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ম্যাথিউ হুইটেকার।

শনিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের ‘দ্য বিগ উইকেন্ড শো’ অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে হুইটেকার বলেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির অর্থনীতি ব্যাপক চাপে পড়েছে বলে তিনি মনে করেন। এই পরিস্থিতিতে তেহরান দ্রুত একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে চাইছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

হুইটেকারের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের মুদ্রার মূল্য দুর্বল হয়েছে, মূল্যস্ফীতি বেড়েছে এবং দেশটির অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংকটপূর্ণ। তার দাবি, এসব চাপের কারণেই ইরান একটি চুক্তির জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট—ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না এবং দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

হুইটেকার ইরানের প্রস্তাবিত সমঝোতাকে যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, তেহরানের পক্ষ থেকে দেওয়া কিছু প্রস্তাবকে তিনি ‘আংশিক পদক্ষেপ’ হিসেবে দেখছেন এবং মনে করেন এগুলো দিয়ে ইরান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান ইতিবাচকভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে।

এদিকে হরমুজ প্রণালি নিয়েও মন্তব্য করেন মার্কিন এই রাষ্ট্রদূত। তার দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং মার্কিন অবরোধের ফলে ইরানি জাহাজগুলো চলাচলে বাধার মুখে পড়ছে। তবে অন্য দেশের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের সুযোগ রাখা হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় শর্ত মেনে নিলে হরমুজ প্রণালি এক সপ্তাহের মধ্যে পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব। ইরানের প্রস্তাবের মধ্যে মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, ইরানি তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির মতো বিষয় রয়েছে।

তবে ট্রাম্প প্রকাশ্যে ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। ফলে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা এবং অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপের বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।