odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Saturday, 26th September 2026, ২৬th September ২০২৬

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের প্রশংসা রাষ্ট্রপতির

odhikarpatra | প্রকাশিত: ২৬ September ২০২৬ ১৮:২৭

odhikarpatra
প্রকাশিত: ২৬ September ২০২৬ ১৮:২৭

 

বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, গণতন্ত্র ও বৈশ্বিক ইস্যুতে অবস্থান তুলে ধরায় অভিনন্দন

ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে দূরদর্শী, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার এক অভিনন্দনবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, জনগণের আকাঙ্ক্ষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুতে দেশের অবস্থান সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এ ভাষণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা ও অবস্থানকে আরও সমুন্নত করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতির অভিনন্দনবার্তায় বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে গণতন্ত্রের পথে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা এবং গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার উঠে এসেছে। একই সঙ্গে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয়ও তুলে ধরা হয়েছে।

দেশ পুনর্গঠনে ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’—এই ‘থ্রি আর’ কৌশলের কথাও প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে তুলে ধরেছেন বলে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার পাশাপাশি বিশ্বশান্তি, বহুপাক্ষিকতা, ফিলিস্তিন, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, নারী ও যুবসমাজের ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেছেন বলেও অভিনন্দনবার্তায় উল্লেখ করা হয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে সৃষ্ট চাপ, জ্বালানি নিরাপত্তা সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির কারণে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতির বিষয়টিও প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে উঠে এসেছে।

জাতিসংঘকে ‘একটি সমঝোতামূলক বিশ্বসমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু’ হিসেবে দেখার প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সংঘাতময় বিশ্বে সংলাপ, কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান তাৎপর্যপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ : সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রত্যয়ের উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এই বক্তব্যে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর একই পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়াকে রাষ্ট্রপতি একটি জাতির জন্য গৌরবময় ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেন।

বার্তার শেষে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য এবং তাঁর নিরাপদ ও সফল সফর কামনা করেন।