বিশেষ প্রতিনিধি, অধিকার পত্র ডটকম
২৩ নভেম্বর ২০২৫
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি’ প্ল্যাটফর্ম দাবি করেছে—চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশি অপারেটরের কাছে কনসেশন বা ইজারা দেওয়া হবে জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী ও আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।
প্ল্যাটফর্মটির আহ্বায়ক মুহম্মদ জিয়াউল হক লিখিত বক্তব্যে বলেন, দেশের অর্থনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা এবং সার্বভৌম নীতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলে ডিপি ওয়ার্ল্ড ও এপিএম টার্মিনালসের কাছে বন্দরের মতো কৌশলগত স্থাপনা হস্তান্তর করা অত্যন্ত বিপজ্জনক।
বিদেশি অপারেটরের কাছে বন্দর গেলে কী ক্ষতি হবে — ছাত্র প্ল্যাটফর্মের আশঙ্কা
লিখিত বক্তব্যে তুলে ধরা হয়—
- বিদেশি অপারেটররা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতি প্রণয়নে বাধা সৃষ্টি করতে পারে
- বন্দর রাজনৈতিক ও সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হওয়ার আশঙ্কা
- সুদানের মতো পরিস্থিতিতে বন্দর থেকে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মদদদাতা হয়ে ওঠার ঝুঁকি
- আমদানি–রপ্তানির আয় বিদেশে চলে যাওয়ায় রিজার্ভ কমে যাওয়া
- কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে গিয়ে বেকারত্ব বৃদ্ধি
- স্থানীয় পরিচালনদক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া
- ট্যারিফ বাড়লে নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া
সংগঠনটির দাবি, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রবেশদ্বার; তাই এটি বিদেশিদের হাতে দিলে বাংলাদেশ সরাসরি অর্থনৈতিক–কৌশলগত চাপে পড়বে।
“দুর্নীতি রোধের নামে বন্দর ইজারা—হাস্যকর”
জিয়াউল হক আরও বলেন—
“দুর্নীতি বন্ধ করার নামে বন্দর বিদেশিদের কাছে দেওয়া হাস্যকর। দুর্নীতি থাকলে রাষ্ট্রকে নিজস্ব উদ্যোগে তা মোকাবিলা করতে হবে।”
তিনি প্রস্তাব করেন—
- দেশীয় পোর্ট অপারেটরদের সক্ষমতা কম হলে বিদেশি বিশেষজ্ঞ এনে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা উচিত
- কিন্তু কৌশলগত বন্দর বিদেশি নিয়ন্ত্রণে দেওয়া কখনই গ্রহণযোগ্য নয়
সম্মেলনের উদ্দেশ্য
সংবাদ সম্মেলনটি মূলত দুই বিষয়ে অবস্থান জানাতে আয়োজিত হয়—
1️⃣ চট্টগ্রামের লালদিয়ার চর বিদেশি অপারেটরের কাছে কনসেশন চুক্তির বিরোধিতা
2️⃣ নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (NCT) ইজারাপ্রক্রিয়া বন্ধের দাবি
ছাত্র প্ল্যাটফর্মের মতে—এটি শুধু অর্থনৈতিক নয়, বরং রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি’ চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়াকে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত বলে আখ্যা দিয়েছে। লালদিয়ার চর ও নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের কনসেশন চুক্তির বিরুদ্ধে
