—এক সম্পাদকীয় ফিচার আর্টিকেল
বাংলাদেশে জিপিএ–৫-এর অন্ধ দৌড়, চারদেয়ালের শিক্ষা-খাঁচা ও নগরায়ণের চাপে শিশুকালের স্বাভাবিক বিকাশ কীভাবে ‘বনসাই শৈশব’-এ রূপ নিচ্ছে—তা নিয়ে নির্মোহ সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ। কৃত্রিম সাফল্য, কোচিং নির্ভরতা ও হাইব্রিড প্রজন্মের মানসিক বিবর্তনের বাস্তব চিত্র।
ভোর সাড়ে ছয়টা। ঢাকার আকাশ তখনো ধোঁয়াশা আর কুয়াশার চাদর সরিয়ে পুরোপুরি আড়মোড়া ভাঙেনি। ঠিক এই সময়ে, শহরের হাজার হাজার ফ্ল্যাটের বন্ধ দরজার ওপাশ থেকে একটা গোঙানির শব্দ ভেসে আসে। না, এটা কোনো ভৌতিক সিনেমার দৃশ্য নয়। এটা আমাদের সাত বছরের ছোট্ট 'অয়ন'দের ঘুম ভাঙার শব্দ।
অয়নের বয়স সাত, কিন্তু ওর স্কুলের ব্যাগের ওজন দেখলে মনে হবে সে এভারেস্ট জয়ে বেরিয়েছে। ব্যাগের ভেতর বাংলা, ইংরেজি, অংক, সমাজ, বিজ্ঞান, ড্রয়িং, হাতের লেখা, জ্যামিতি বক্স, পানির বোতল, টিফিন বক্স—সব মিলিয়ে যেন এক মহাজাগতিক কৃষ্ণগহ্বর। পিঠের ওপর এই বোঝা চাপিয়ে যখন সে লিফটের জন্য দাঁড়িয়ে থাকে, তখন তাকে দেখে মনে হয়, হনুমান গন্ধমাদন পর্বত বয়ে নিয়ে যাচ্ছে, শুধু পার্থক্য হলো হনুমান উড়ে যেত, আর অয়নকে জ্যামে আটকা পড়া স্কুলভ্যানে ঝিমুতে ঝিমুতে যেতে হবে।
এই যে অয়ন, কিংবা আমাদের পরিচিত তুতুল, মিতুল বা রাইয়ান—এরা আসলে কেমন আছে? আমাদের এই তথাকথিত উন্নয়নের মহাসড়কে শিশুদের শৈশবটা কি পিচঢালাই রাস্তার নিচে চাপা পড়ে গেল? আসুন, একটু গভীরে গিয়ে দেখি।
১: বারান্দার টবে বেড়ে ওঠা মানুষ
আমাদের শৈশব ছিল ধুলোবালি মাখা। স্কুল থেকে ফিরে ব্যাগটা ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে এক দৌড়ে মাঠে। গোল্লাছুট, দারিয়াবান্ধা, কিংবা নিদেনপক্ষে ক্রিকেট। হাত-পা ছড়ে যাওয়া ছিল বীরত্বের প্রতীক। আর এখন?
এখন অয়নের জগতটা বারো বাই বারো স্কয়ার ফিটের একটা ঘর আর তিন বাই চার ফিটের একটা বারান্দা। বারান্দায় গ্রিল দেওয়া। সেই গ্রিলের ফাঁক দিয়ে এক চিলতে আকাশ দেখা যায়, যদি না পাশের বহুতল ভবনটা সেই দৃশ্যটুকুও গিলে খায়। অয়নের মা বারান্দায় শখ করে কিছু মানিপ্ল্যান্ট আর ক্যাকটাস লাগিয়েছেন। মাঝে মাঝে আমার মনে হয়, আমাদের শহরের শিশুগুলোও যেন ওই টবের গাছের মতো। শিকড় ছড়ানোর জায়গা নেই, ডালপালা মেলার আকাশ নেই। এদের আমরা যত্ন করে সার দিচ্ছি (পুষ্টিকর খাবার), পানি দিচ্ছি (দামি স্কুল), কিন্তু দিনশেষে এরা বড় হচ্ছে 'বনসাই' হয়ে। দেখতে সুন্দর, সাজিয়ে রাখার মতো, কিন্তু বিশাল মহীরুহ হওয়ার ক্ষমতা এদের নেই।
বাসার নিচে যেটুকু খালি জায়গা ছিল, সেখানে এখন লেখা থাকে—"গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা, খেলাধুলা নিষেধ"। দারোয়ান চাচা আগে ছিলেন শিশুদের বন্ধু, এখন তিনি হন পুলিশ। বলটা একটু এদিক-সেদিক হলেই তার ভ্রু কুঁচকে যায়। ফলে অয়নের খেলা এখন আর পায়ে নয়, আঙুলে।
২: ডিজিটাল নিপল এবং জম্বি প্রজন্ম
শিশুকে শান্ত রাখার জন্য আগে মায়েরা গল্প শোনাতেন, ছড়া কাটতেন, কিংবা খেলনা দিতেন। এখন মায়েদের হাতে সময় কম, অথবা তারা নিজেরাই বড্ড ক্লান্ত। তাই শিশুর কান্না থামানোর বা তাকে খাওয়ানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হলো—হাতে একটা স্মার্টফোন ধরিয়ে দেওয়া। এটাকে আমি বলি 'ডিজিটাল নিপল'।
অয়ন এখন খেতে খেতে কার্টুন দেখে না, বরং কার্টুন দেখতে দেখতে খায়। ওর চোখের সামনে রঙের ঝলকানি, কানে অদ্ভুত সব আওয়াজ। সে হা করে থাকে, মা চামচ দিয়ে ভাত চালান করে দেন। ভাতটা কি লাউ দিয়ে মাখা নাকি ডাল দিয়ে, সেটা বোঝার আগেই পেটে চলে যায়। স্বাদ আস্বাদন করার ক্ষমতাটা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে শৈশবেই।
বিকেলবেলা ড্রয়িংরুমে উঁকি দিলে দেখা যায় এক অদ্ভুত দৃশ্য। বাবা সোফায় বসে ফেসবুকে স্ক্রল করছেন, মা পাশের রুমে টিকটক বা ইউটিউবে রান্নার রেসিপি দেখছেন, আর অয়ন আইপ্যাডে গেম খেলছে। একই ছাদের নিচে তিনটি মানুষ, কিন্তু কেউ কারো সাথে কথা বলছে না। যেন তিনটি আলাদা দ্বীপ। এই ভার্চুয়াল জগতের নেশা আমাদের শিশুদের বানিয়ে ফেলছে একেকটা 'জম্বি'। তাদের চোখের নিচে কালি, পিঠ কুঁজো, আর মেজাজ খিটখিটে।
মাঠে গিয়ে আছাড় খাওয়ার বদলে ওরা এখন 'পাবজি' বা 'ফ্রি ফায়ার'-এ গুলি খেয়ে মরে। ভার্চুয়াল মৃত্যুর পর 'রিভাইভ' হওয়া যায়, কিন্তু বাস্তব জীবনে যে একবার সময় চলে গেলে আর ফিরে পাওয়া যায় না—এই বোধটা ওদের তৈরি হচ্ছে না।
৩: জিপিএ-৫ এবং রেসের ঘোড়া
আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা এখন আর মানুষ গড়ার কারখানা নয়, এটি এখন রেসের ঘোড়া তৈরির আস্তাবল। বাচ্চা কথা বলা শেখার আগেই বাবা-মায়ের চিন্তা শুরু হয়—"কোন স্কুলে ভর্তি করাব?"
স্কুল মানেই এখন যুদ্ধক্ষেত্র। আর সেই যুদ্ধের প্রধান সেনাপতি হলেন 'মা'। স্কুলের গেটের বাইরে মায়েদের জটলা। সেখানে আলোচনার বিষয়বস্তু—"আপনার বাচ্চার রোল কত?", "কালকে কোচিংয়ে কী শিট দিয়েছে?", "ওমুকের ছেলে তো এবার গোল্ডেন পায়নি!"
এই যে 'পাশের বাসার ভাবি'র বাচ্চার সাথে তুলনা, এটা একটা বিষাক্ত তীরের মতো বিঁধে থাকে শিশুদের বুকে। অয়ন যদি ছবি আঁকতে ভালোবাসে, সেটা কারো চোখে পড়ে না। সবাই শুধু দেখে তার অংক খাতায় কত নম্বর এল।
সকাল সাতটায় স্কুল, দুপুর দুইটায় ছুটি। বাসায় ফিরে পনেরো মিনিটের লাঞ্চ। তারপর তিনটা থেকে কোচিং। পাঁচটায় বাসায় এসে ড্রয়িং টিচার। সাতটায় আরবি হুজুর। রাত আটটায় স্কুলের হোমওয়ার্ক। রাত দশটায় যখন সে বিছানায় যায়, তখন তার মস্তিষ্কের নিউরনগুলো ক্লান্তিতে ধুঁকতে থাকে।
আমরা শিশুদের শেখাচ্ছি—"তোমাকে ফাস্ট হতে হবে।" কিন্তু আমরা শেখাচ্ছি না—"তোমাকে ভালো মানুষ হতে হবে।" ফলে তৈরি হচ্ছে একদল মেধাবী কিন্তু স্বার্থপর নাগরিক। যারা জিপিএ-৫ পেয়েও জানে না বাসে বয়স্ক কাউকে সিট ছেড়ে দিতে হয়, কিংবা রাস্তায় কলার খোসা ফেলতে নেই।
৪: ফাস্ট ফুড এবং ফার্মের শরীর
শারীরিক গঠনের দিক থেকেও আমাদের শিশুরা এখন চরম ঝুঁকির মুখে। খেলার মাঠ নেই, তাই দৌড়াদৌড়ি নেই। ক্যালোরি বার্ন করার কোনো উপায় নেই। তার ওপর আছে ফাস্ট ফুডের আগ্রাসন।
স্কুলের টিফিনে এখন আর মায়ের হাতের রুটি-ভাজি বা মৌসুমি ফল দেখা যায় না। তার জায়গা দখল করেছে বার্গার, পিৎজা, হটডগ, আর চিপস। সাথে আছে রঙিন চিনি-গলা পানি (কোল্ড ড্রিংকস)। অয়নের শরীরটা তাই ফুলে-ফেঁপে উঠছে, কিন্তু ভেতরে শক্তি নেই। একে আমি বলি 'ফার্মের মুরগি সিনড্রোম'। দেখতে নাদুস-নুদুস, ফর্সা (রোদে না যাওয়ার কারণে), কিন্তু একটু আবহাওয়া বদলালেই সর্দি-জ্বরে কাবু।
ডাক্তাররা বলছেন, শিশুদের মধ্যে এখন ফ্যাটি লিভার, ডায়াবেটিস, আর চোখের সমস্যা মহামারী আকারে বাড়ছে। যে বয়সে গাছে চড়ার কথা, সে বয়সে তাদের চোখে উঠছে মাইনাস পাওয়ারের মোটা চশমা। ভিটামিন ডি-এর অভাবে হাড়গুলো হচ্ছে নড়বড়ে। আমরা কি তবে একটা অসুস্থ প্রজন্ম তৈরি করছি?
৫: একাকীত্বের অসুখ
যৌথ পরিবারগুলো ভেঙে এখন অণু পরিবার বা নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি হয়েছে। আগে দাদা-দাদি, চাচা-চাচিদের আদরে-শাসনে শিশুরা বড় হতো। এখন ফ্ল্যাটের দরজা বন্ধ করলেই পৃথিবী আলাদা। বাবা-মা দুজনেই হয়তো চাকরিজীবী। অয়নের সঙ্গী হয় কাজের বুয়া অথবা কার্টুন নেটওয়ার্ক।
এর ফলে তৈরি হচ্ছে এক ধরণের সামাজিক বৈকল্য বা Social Awkwardness। বাড়িতে আত্মীয় এলে অয়ন বিরক্ত হয়। সে ঘর থেকে বের হতে চায় না। কারো সাথে মিশতে তার অস্বস্তি লাগে। "সালাম দাও", "ভালো আছো জিজ্ঞেস করো"—এগুলো তাকে জোর করে শেখাতে হয়। মানুষের চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলার সাহস বা অভ্যাস কোনোটাই তার তৈরি হচ্ছে না।
এই একাকীত্ব থেকে জন্ম নিচ্ছে বিষণ্ণতা। হ্যাঁ, আপনি ঠিকই পড়ছেন। সাত-আট বছরের শিশুদের মধ্যেও এখন ডিপ্রেশন দেখা দিচ্ছে। তারা জেদি হয়ে উঠছে, অল্পতেই রেগে যাচ্ছে, কখনো বা আত্মহননের মতো ভয়ানক চিন্তাও তাদের মাথায় আসছে। কারণ, তাদের কথা শোনার কেউ নেই। তাদের জগতটা বোঝার মতো সময় বা ধৈর্য বড়দের নেই।
৬: সৃজনশীলতার মৃত্যু
আমাদের ছোটবেলায় আমরা নিজেরাই খেলার নিয়ম বানাতাম, ভাঙা পুতুল জোড়া লাগাতাম, মাটির ব্যাংক বানাতাম। আর এখন অয়নের সব খেলনাই 'রেডিমেড'। ব্যাটারি লাগাও, সুইচ টিপো, খেলনা চলবে। এখানে অয়নের করার কিছু নেই। তার কল্পনাশক্তি বা ইমাজিনেশন ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই।
স্কুলের 'সৃজনশীল' পদ্ধতিটাও আরেকটা বড় প্রহসন। গাইড বই থেকে মুখস্থ করে সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখা হয়। যে শিশুটা ক্লাসের জানালায় তাকিয়ে আকাশ দেখছিল, তাকে ধমক দিয়ে বলা হয়, "মনোযোগ দাও!" অথচ ওই আকাশ দেখার মুহূর্তটাই হয়তো ছিল তার জীবনের সবচেয়ে সৃজনশীল সময়। আমরা আইনস্টাইন চাই, কিন্তু তাকে ল্যাবরেটরিতে আটকে রেখে। আমরা রবীন্দ্রনাথ চাই, কিন্তু তাকে নদীর পাড়ে যেতে না দিয়ে।
শেষ কথা: তবুও আশার আলো?
তাহলে কি সব শেষ? আমাদের ভবিষ্যৎ কি শুধুই অন্ধকার?
না, ঠিক তা নয়। এখনো কিছু বাবা-মা আছেন যারা স্রোতের বিপরীতে সাঁতার কাটেন। যারা ছুটির দিনে বাচ্চাকে শপিং মলে না নিয়ে কোনো পার্কে বা গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান। যারা বাচ্চার হাতে স্মার্টফোন না দিয়ে রঙের তুলি বা গল্পের বই তুলে দেন। যারা জিপিএ-৫ এর চেয়ে বাচ্চার হাসিটাকে বেশি গুরুত্ব দেন।
কিন্তু এই সংখ্যাটা বড্ড নগণ্য। আমাদের নীতিনির্ধারক, নগর পরিকল্পনাবিদ, এবং অভিভাবকদের এখনই সচেতন হতে হবে। আমাদের শহরগুলোতে আরো খেলার মাঠ চাই। আমাদের স্কুলগুলোতে ব্যাগের ওজন কমাতে হবে। আমাদের কারিকুলামে পরীক্ষার চেয়ে শেখার আনন্দকে গুরুত্ব দিতে হবে।
অয়নকে আবার মানুষ করতে হবে। তাকে রোদে পুড়তে দিতে হবে, বৃষ্টিতে ভিজতে দিতে হবে। তার হাতে মাটির স্পর্শ লাগুক। সে জানুক, সবজি শুধু সুপারশপের ফ্রিজে নয়, মাটিতেও ফলে। সে জানুক, বন্ধু মানে ফেসবুকের ফ্রেন্ডলিস্টের কোনো সংখ্যা নয়, বন্ধু মানে যার সাথে টিফিন ভাগ করে খাওয়া যায়।
আমরা যদি এখনই আমাদের এই 'ব্রয়লার' প্রজন্মকে খাঁচা থেকে বের না করি, তবে ২০ বছর পর আমরা এমন এক জাতি পাব—যাদের মাথাভর্তি তথ্য থাকবে, কিন্তু হৃদয়ে কোনো অনুভূতি থাকবে না; যাদের পকেটে অনেক টাকা থাকবে, কিন্তু শরীরে কোনো সুস্থতা থাকবে না।
আসুন, অয়নের জন্য, আমাদের সন্তানদের জন্য, কংক্রিটের জঙ্গলটাকেই একটু বাসযোগ্য করে তুলি। ওদের শৈশবটা গ্রিলের ওপাশে আটকে না থাকুক, ছড়িয়ে পড়ুক দিগন্তের নীলিমায়। কারণ, আজকের এই হাড়-জিরজিরে বা মেদভুঁড়ি শিশুটিই কিন্তু আগামীকালের বাংলাদেশ।
পুনশ্চ: লেখাটি শেষ করে ল্যাপটপ বন্ধ করলাম। ড্রয়িংরুমে গিয়ে দেখি অয়ন সোফায় ঘুমিয়ে পড়েছে। তার কোলের ওপর আইপ্যাডটা তখনো জ্বলছে। স্ক্রিনে একটা গেম ওভারের সংকেত। আমি আইপ্যাডটা সরিয়ে ওর কপালে হাত রাখলাম। বড্ড ঘামছে ছেলেটা। এসি চলছে, তবুও ঘামছে। হয়তো স্বপ্নে ও দৌড়াচ্ছে। কোনো এক সবুজ মাঠে, যেখানে কোনো ট্রাফিক জ্যাম নেই, কোনো কোচিং সেন্টার নেই, নেই জিপিএ-৫ এর দানব।
দৌড়াও অয়ন, দৌড়াও। অন্তত স্বপ্নে হলেও তুমি দৌড়াও।
✍️ –অধ্যাপক ড. মাহবুব লিটু, উপদেষ্টা সম্পাদক, অধিকারপত্র (odhikarpatranews@gmail.com)
#জিপিএ৫ #শৈশব_সংকট #বনসাই_প্রজন্ম #শিক্ষাব্যবস্থা #কোচিংমুক্তশিক্ষা #বাংলাদেশের_শিশু #পরিবার_ও_সমাজ #শিক্ষার_বৈষম্য #নগরায়ণ #হাইব্রিড_প্রজন্ম #সামাজিক_বিবর্তন #মানসিক_স্বাস্থ্য #শিশুকাল #EducationCrisis #ChildhoodDevelopment #BonsaiGeneration #BangladeshEducation #GPACulture #UrbanChildhood #HybridGeneration #ParentingInBangladesh #CoachingSystem #YouthPsychology #SocioCulturalChange #AcademicPressure #ChildWellbeing

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: