odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Thursday, 29th October 2026, ২৯th October ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের মধ্যে আঞ্চলিক সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে কাতার।

ইরানে আবার যুদ্ধের দামামা? মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা কি এবার আরব দেশগুলোর হাতেই

odhikarpatra | প্রকাশিত: ২৯ October ২০২৬ ১৪:৪৯

odhikarpatra
প্রকাশিত: ২৯ October ২০২৬ ১৪:৪৯

অধিকারপত্র ডটকম, সম্পাদকিয় :

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সাময়িক বিরতি কি শান্তির পথে অগ্রগতি, নাকি আরও বড় সংঘাতের প্রস্তুতি? ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য নতুন সামরিক পদক্ষেপের খবর এই প্রশ্নকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। একদিকে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের সামরিক পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা, অন্যদিকে তেহরানের পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি—সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চয়তায় ঘেরা।

২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যে সংঘাত শুরু হয়েছিল, তার প্রভাব এখন আর তিন দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ, বিশ্ববাণিজ্য এবং ফিলিস্তিন প্রশ্ন—সবকিছুই এই সংঘাতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে।

অধিকার পত্র ডটকমের সম্পাদকীয় পর্যবেক্ষণ হলো, সামরিক শক্তি দিয়ে প্রতিপক্ষকে দমনের প্রতিযোগিতা অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনা আরও দুর্বল হবে।** তবে নতুন যুদ্ধ অনিবার্য—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোরও যথেষ্ট ভিত্তি নেই। কূটনীতির পথ এখনো খোলা রাখা জরুরি।

 নতুন হামলার পরিকল্পনা, কিন্তু যুদ্ধ কি আবার শুরু হচ্ছে?

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ ২২ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানায়, ইরানে পুনরায় যৌথ হামলার সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। ইসরায়েলি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনা ও পারমাণবিক অবকাঠামো থাকতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা চালানো হবে না বলে হোয়াইট হাউস জানিয়েছিল। তবে নতুন হামলার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হওয়া আর বাস্তবে হামলার সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়া এক বিষয় নয়।

এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ। সামরিক প্রস্তুতি, কূটনৈতিক অবস্থান এবং রাজনৈতিক বক্তব্যের ভিত্তিতে সংঘাতের ঝুঁকি মূল্যায়ন করা যায়; কিন্তু সেগুলোকে নতুন যুদ্ধ শুরু হওয়ার নিশ্চিত ঘোষণা হিসেবে উপস্থাপন করা যায় না।

প্রশ্ন হলো, কূটনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও কেন সামরিক বিকল্প নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে? এর উত্তর খুঁজতে হলে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের কৌশলগত স্বার্থ—সবকিছু বিবেচনায় নিতে হবে।

 ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ বিরোধ

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের বৈরিতা সাম্প্রতিক কোনো ঘটনার ফল নয়। ১৯৫৩ সালে ইরানের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেককে ক্ষমতাচ্যুত করার ঘটনায় মার্কিন ও ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা দুই দেশের সম্পর্কের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর সম্পর্কের অবনতি আরও গভীর হয়।

পরবর্তী দশকগুলোতে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, পারমাণবিক কর্মসূচি, আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার এবং নিরাপত্তা নিয়ে দুই দেশের বিরোধ অব্যাহত থাকে। ২০১৮ সালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানের পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেয়। এর ফলে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কূটনৈতিক সমঝোতা আরও জটিল হয়ে পড়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিতে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ও আঞ্চলিক কর্মকাণ্ড নিরাপত্তার বড় উদ্বেগ। অন্যদিকে, তেহরান দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ও নিষেধাজ্ঞাকে নিজেদের সার্বভৌমত্বের ওপর চাপ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে।

এই পারস্পরিক অবিশ্বাসের পরিবেশে সামরিক পদক্ষেপকে সমাধান হিসেবে বেছে নেওয়া হলে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। একটি পক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা অন্য পক্ষের কাছে হুমকি হিসেবে প্রতিভাত হলে অস্ত্র প্রতিযোগিতা ও পাল্টাপাল্টি হামলার চক্র আরও শক্তিশালী হয়।

 ইসরায়েলের নিরাপত্তা, ফিলিস্তিন প্রশ্ন ও আঞ্চলিক আধিপত্য

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক সক্ষমতা মোকাবিলায় কঠোর অবস্থান নিয়ে আসছে। ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগকে উপেক্ষা করা যায় না; একই সঙ্গে সেই উদ্বেগের ভিত্তিতে সামরিক পদক্ষেপের পরিণতি ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রশ্নও বিবেচনায় নিতে হবে।

আল-জাজিরায় প্রকাশিত মূল বিশ্লেষণে লেখক ইসরায়েলের নীতিকে আঞ্চলিক সামরিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর মতে, ফিলিস্তিনিদের অধিকার ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে ন্যায়সংগত সমাধান ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠা কঠিন।

এটি বিশ্লেষকের রাজনৈতিক মূল্যায়ন। তবে ফিলিস্তিন প্রশ্ন যে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতেও দীর্ঘদিন ধরে স্বীকৃত।

২০০২ সালের আরব শান্তি উদ্যোগে ১৯৬৭ সালের সীমান্তভিত্তিক ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করার প্রস্তাবের বিনিময়ে ইসরায়েলের সঙ্গে আরব দেশগুলোর স্বাভাবিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছিল। জাতিসংঘের নথিতেও এই উদ্যোগের উল্লেখ রয়েছে।

অতএব, ইরানকে ঘিরে সংঘাতের সমাধান খুঁজতে গিয়ে ফিলিস্তিনের রাজনৈতিক অধিকার ও নিরাপত্তার প্রশ্নকে আড়ালে রাখা হলে মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তর সংকটের সমাধান অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

 

সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য বর্তমান সংকট একটি কঠিন বাস্তবতা সামনে এনেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এসব দেশের নিরাপত্তাব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু আঞ্চলিক সংঘাতের বিস্তার তাদের জ্বালানি অবকাঠামো, বাণিজ্য এবং জাতীয় নিরাপত্তার ওপরও ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

আল-জাজিরার ১৯ অক্টোবরের প্রতিবেদনে কাতারের উপপ্রধানমন্ত্রী শেখ সৌদ বিন আবদুর রহমান আল থানির বক্তব্য তুলে ধরা হয়। তিনি ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা, কূটনৈতিক মধ্যস্থতা চালিয়ে যাওয়া এবং উপসাগরীয় দেশগুলো, তুরস্ক ও পাকিস্তানকে নিয়ে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংলাপের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।

এই অবস্থান থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া যায়: নিরাপত্তা কেবল সামরিক ঘাঁটি বা অস্ত্রের ওপর নির্ভর করে না; প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ, সংকট মোকাবিলার ব্যবস্থা এবং পারস্পরিক আস্থাও এর অপরিহার্য অংশ।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করাই উপসাগরীয় দেশগুলোর একমাত্র পথ—এমন সিদ্ধান্তও বাস্তবসম্মত নয়। বরং তাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হলো, বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বজায় রেখেও আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমানো এবং স্বাধীন কূটনৈতিক উদ্যোগকে শক্তিশালী করা।

হরমুজ প্রণালি: যুদ্ধের প্রভাব ছড়িয়ে পড়তে পারে বিশ্বজুড়ে

ইরানকে ঘিরে সংঘাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ঝুঁকিগুলোর একটি হলো হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের অনিশ্চয়তা। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ এই পথ ব্যাহত হলে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহে চাপ তৈরি হতে পারে।

কাতার সতর্ক করেছে, যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অভিঘাতের মাত্রা আরও বাড়তে পারে। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে দেশটির বক্তব্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে অনিশ্চয়তা শুধু মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো নয়, বিশ্ব অর্থনীতিকেও প্রভাবিত করতে পারে।

বাংলাদেশের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে গেলে আমদানি ব্যয়, পরিবহন খরচ ও উৎপাদন ব্যয়ের ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত মূল্যস্ফীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়েও পড়তে পারে।

তবে যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যয় ঠিক কতটা বাড়বে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা যায় না। আন্তর্জাতিক বাজারের দাম, সরবরাহের ধারাবাহিকতা, পরিবহন ব্যয় এবং সরকারের আমদানি ব্যবস্থাপনার ওপর এর প্রকৃত প্রভাব নির্ভর করবে।

 শান্তির পথ কি আঞ্চলিক সহযোগিতায়?

মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে আঞ্চলিক নিরাপত্তাকাঠামো গড়ে তোলার প্রস্তাব নতুন নয়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি সেই আলোচনাকে আরও জরুরি করে তুলেছে।

ইরান, উপসাগরীয় দেশগুলো, সৌদি আরব, তুরস্ক, ইরাক, মিসর ও পাকিস্তানের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ এবং পারস্পরিক অনাক্রমণ নীতি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। নৌপথের নিরাপত্তা, জ্বালানি অবকাঠামোর সুরক্ষা, ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে সরাসরি যোগাযোগ এবং পারমাণবিক ঝুঁকি কমানোর ব্যবস্থা এই কাঠামোর অংশ হতে পারে।

একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ঘিরে আঞ্চলিক নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং ইরানের নিজস্ব নিরাপত্তা উদ্বেগ—উভয়কেই আলোচনায় আনতে হবে। এক পক্ষের নিরাপত্তাকে অন্য পক্ষের নিরাপত্তাহীনতার ওপর প্রতিষ্ঠা করলে স্থায়ী সমাধান পাওয়া কঠিন।

এখানে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ। ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার, ইসরায়েলি নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতির ভিত্তিতে রাজনৈতিক সমাধানের পথ এগিয়ে নিতে হবে। যুদ্ধবিরতি তখনই অর্থবহ হবে, যখন তা স্থায়ী রাজনৈতিক সমঝোতার দিকে নিয়ে যাবে।

 সম্পাদকীয় অভিমত: যুদ্ধের প্রস্তুতি নয়, শান্তির নিশ্চয়তা চাই

ইরানকে ঘিরে নতুন হামলার সম্ভাবনা মধ্যপ্রাচ্যকে আবারও একটি বিপজ্জনক সন্ধিক্ষণে দাঁড় করিয়েছে। সামরিক শক্তি দিয়ে প্রতিপক্ষকে দুর্বল করার চেষ্টা সাময়িক সুবিধা দিতে পারে, কিন্তু তা দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না। বরং পাল্টা হামলা, অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং বেসামরিক মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়াতে পারে।

আরব দেশগুলোর উচিত নিজেদের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে আঞ্চলিক সংলাপকে শক্তিশালী করা। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের উচিত এমন কূটনৈতিক পথ খোলা রাখা, যাতে সামরিক সংঘাতের পুনরাবৃত্তি ঠেকানো যায়।

বিশ্বের বড় শক্তিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ মানুষকে বারবার যুদ্ধের মূল্য দিতে হবে—এটি কোনো গ্রহণযোগ্য ভবিষ্যৎ হতে পারে না। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ও অধিকার, ইসরায়েলের নিরাপত্তা, ইরানের সার্বভৌমত্ব এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর স্থিতিশীলতা—এসব প্রশ্নকে পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নয়, একটি টেকসই আঞ্চলিক শান্তির অংশ হিসেবে দেখতে হবে।

মধ্যপ্রাচ্যের সামনে এখন দুটি পথ—আরও এক দফা সামরিক সংঘাত, অথবা কঠিন হলেও প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক সমঝোতা। ইতিহাসের দায় এড়াতে হলে এই অঞ্চলের নেতাদের দ্বিতীয় পথটিই বেছে নিতে হবে।

সম্পাদকীয় বিভাগ | অধিকারপত্র ডটকম